জুলাই পাঁচের কবিতা
মুবাইলটার ইস্ক্রীন থেইক্যা চোখ সরে না
আমারে ধরো,
আমারে তোমরা ধইরা
একটু ঘুম পাড়ায়া দেও।
কাল মালিকের সাথে চেঁচানি লাগবে
বড় বাল ফালাইতেসে ব্যাটাটা-
সারাটাক্ষণ পোন্দে পোন্দে ঘুরে
এইদিকে মাইয়ার হাঁটুর ঘা সারতেসে না
ল্যাংড়াইতে ল্যাংড়াইতেই
সারা দুনিয়া ঘুইরা বেড়াইতেসে।
আর, গলির মাথার কালা পোলাটা
গাঁইগুঁই কইরা প্রেম নিবেদন কইরাই যাইতেসে
হারামজাদা, তর বউ জানে-
কয়টা মাইয়ার লগে ঘুরস তুই?
তোর জিনিসটা ধইরা
হাতিরপুলের মল্লিক প্রেসের ওই
যন্ত্রের তলে রাইখা
যদি কচ কইরা কাইটা দিবার পারতাম..
অবশ্য তরই বা কি দোষ দিমু
তরে দেখলে আমারই তো
লোল পরতে থাকে
ইনায়া বিনায়া সারাক্ষণ তোর গল্প পারি মগজের লগে
মগজটা ঘুইটা ঘাইটা
কত দুইন্যার কৈফিয়ত দিলাম
"গলির পোলা"
"তাড়ায়া তো দিবার পারুম না"
জীবনের মধ্যে ঢুইকা গেসে
টুইকা নিসি এই গোবরপোরা
মগজটায়
হালায় গোবর আবার উর্বর
খালি ফুল ধরে আর
ফল ফলে-
দিনে রাতে ফুলের গন্ধে
সারা পাড়া ভইরা থাকে
আর মাছির মতন গলির মাথার
কালো পোলাটা
গুটগুট কইরা আসে,
যখন বা নাও আসে-
আমি হুদাই চাইয়া থাকি
আন্ধারের মাঝ দিয়া
বিলাইয়ের মতন-
-আইল নাকি?
না, বিলাই
- আইল নাকি?
না, এইডা কুত্তা
আর ওইটা একটা মটর সাইকেল
- সাইকেলে কে? কালা পোলা নাকি?
আরে না ধূর্বাল, মাইয়ার বাপ।
-শালা ওই হারামখোরে আইসে ক্যান আবার,
আবাল কুনখানকার
কুড়াল দিয়া কোপায়া
ছাতু বানায় দিবার মন চায়
হালার পো হালা।
ওরে কেউ আমারে ঘুমটা পারা
কালো পোলা ঘুমাইতেসে
এই রাত্তিরে, বউয়ের পাশে।
তুই ঘুমাইতে যা-
যা!
Comments
Post a Comment